দৃশ্যপট কিছু পেয়েছি, হাত একেবারে খালি নয় সোনার জল অশ্রু হয়ে জেগে থাকে পলকে বিশেষ কিছু ঘটেনি কখনও, দৃশ্য সব আটপৌরে আমিই অতি নাটকীয় তবু বৃষ্টি পড়েছে, পাখি ডেকেছে, বাতাসে চুল উড়েছে যেমন প্রেমের গল্পে হয় আজকাল তোমার স্বর উঁচুতে, চোখ মধ্যাহ্ণের সূর্য, অধৈর্য্যে কুঞ্চিত ঠোঁট থেকে খসে পড়ে অপদেবতা আমি চোখ বুজি, নিজেকে বন্দি করি শীতল দৃশ্যপটে অন্ধকার পাকদণ্ডী বেয়ে ধেয়ে আসে জোনাকিরা দু জোড়া ঠোঁট নিভে থাকে মুখোমুখি দৃঢ় আচমকা জোয়ারে দুলে ওঠে নৌকো স্রোত জলদস্যু যেন তবু দুজোড়া বুক, ঘেঁষাঘেঁষি ঋজু বনবিথী জুড়ে পাখিদের বাস মাথার ওপর নিবিড় শূন্যতায় ঘুর পাক খায় বাজ দুজোড়া হাত পাশাপাশি সংকল্প #পরজন্ম পর জন্মে কবি হব এ জন্মে তাড়া নেই হাতে আমার অনেক সময় বিশেষ রূপে খ্যাত যারা তারা হুড়োহুড়ি করুক উঠে পড়ুক চলন্ত ট্রেনে ঝুলন্ত বাসে আমি হাটবো ধীরে সুস্থে পা ফেলার শব্দ শুনে বাতাসের অবকাশে পৃথিবীকে দেওয়ার নেই কিছু নেওয়ার আছে পৃথিবীর থেকে তাই নিয়েছি পিছু #বর্ষা ফুলটা ভিজছ...
একটাই জীবন একটাই জীবন তুমি পাশে থাকলে হাসি খুশি দ্রুত কাটবে, উৎসবে খুব সাজবো, হৈ হৈ করে হাসবো, অনেক ছবি তুলবো, একটাই জীবন তুমি পাশে থাকলে মনের সব কথা প্রাণ খুলে তোমাকেই বলবো, জীবনে পূরণ না হওয়া স্বপ্নগুলো কল্পনায় বুনবো। একটাই জীবন তুমি পাশে না থাকলে কি আর করবো! রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে সকালে দেরি করে উঠবো। উৎসবে সাজবো ঠিকই কাজল পরতে গিয়ে চোখের কোণ মুছবো। ছবি তুলবো, জুম করে নিজের ছবি নিজেই বার কয়েক দেখবো। প্রাণের কথা কাউকে আর বলবো না, কথা বলতে ইচ্ছে করলে চুপ করে আকাশ পানে চাইবো একটাই জীবন তুমি পাশে না থাকলে স্বপ্ন দেখা ভুলে কঠোর বাস্তবে বাঁচবো। একটাই জীবন তুমি পাশে না থাকলেও কেটে যাবে, কেটে যায়! সাঁঝ..
ভাঙন ১. সময় ভেঙে দিলে নতুন করে গড়ে নেওয়া যায় যেমন নদী এক কূল ভাঙে অন্য কূল গড়ে। সবচেয়ে কাছের মানুষটি ভেঙে দিয়ে গেলে মানুষ টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, আর কখনও নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারে না! আমৃত্যু ওই ভাঙাচোরা টুকরোগুলো নাড়াচাড়া করে আর ক্ষত বিক্ষত হয়। ২. ভালোবেসে বেঁচেছিল যে সাদা পাখি সে এখন বহুদূর উড়ে গেছে কালো মেঘের ভিতর। তাঁর ডানায় লেপটে গেছে দিনান্তের অস্ফুট অন্ধকার! ৩. ছায়া থেকে সরে যাচ্ছি সরে যাচ্ছি রোদের দিকে খাদের দিকে পিছু ডাক আসবে না জানি তবু পিছু টান রয়েই যায়।
'ভ' ছোটোবেলায় 'ভ' শিখতে আমার অনেক বেশি সময় লেগেছিল। আবছা মনে আছে প্রথমে 'অ' লিখে আগে তার হাতল মুছতাম তারপর গলার কাছটা মুছে উল্টে দেওয়ার চেষ্টা করতাম। এইভাবেই শিখেছি 'ভ'। এখনও পর্যন্ত 'বর্ণপরিচয়' বই এর মতো সুন্দর করে 'ভ' আমি লিখতে আমি শিখিনি। শুধু চিনেছি বর্ণটাকে। সরলার্থে জেনেছি 'ভ' মানে ভয়, 'ভ' মানে ভালোবাসা ; মর্মার্থে জেনেছি, ভালোবাসাতে ভয় কিংবা ভালোবাসা হারাতে।
নদীটা ছিল গোরুর ডাবা, নৌকোটা কাগজের চাঁদটা ছিল পুরি থেকে কেনা অ্যালুমিনিয়ামের বাতিল ডিশ, তবু জ্যোৎস্না দিত এই ছিল পুতুলঘর ওটা আসলে পরিত্যক্ত গোয়াল গোরু মরেছে কবেই, তখন শুধু ঘুঁটে থাকতো আর থাকতো এক স্বভাব কবি খড়ের রঙ , ঝড়ের শব্দ , মাটির ডাক ব্যাকুল হলেই শুনতে পেত আজ আর আসল চাঁদেও জ্যোৎস্না নেই সত্যি গাঙে নৌকো নেই, মাটির নিজের কন্ঠ নেই জানি না, পুতুলঘর কেন বসত ঘরের চেয়েও ভালো!
শুভেচ্ছা জন্মদিনের চাঁদ, সব আলো, সব ভালো মেঘের ভিতর ডুবে গেলে সর্বশেষ, আমার শুভেচ্ছা নিও নৈঃশব্দ্য দীর্ঘ হলে যখন মাথা ব্যথা শুরু হয় তোমাকে ব্যঙ্গ করে আয়নাও হেসে ওঠে তখন জোনাকির ক্ষীণ আলোয় নিজের মুখোমুখি হয়ো দেখবে, সব আলো ভালো না সব পাপ কালো না জন্মদিনের সব প্রিয় ঘুমিয়ে গেলে সব ফুল ক্লান্তিতে নুইয়ে গেলে সর্বশেষ, আমার শুভেচ্ছা নিও
আমার হাতে-পায়ে অদৃশ্য শিঁকল শিকল ছিঁড়তে অস্ত্র চাই আমার অস্ত্র নেই তাই একটা চাকরি দরকার জানি চাকরি পেলে এমনিই ভেঙে পড়বে শিকল তখন উড়ে যাবো ততদূর , যতদূর না ডানা হাঁফিয়ে ওঠে তবে কখনো পথ ভুল করবো না কারণ আমার ভুল পথের নাম তুমি
ভাল
ReplyDeleteদুর্দান্ত অনুভূতিশীল কবিতা। প্রতিটা লাইন একেকটি করে 'Statement' দেয়। খামের মুখটা খুলুন, হয়তো আরো অনেক নতুন সুন্দর কবিতা জন্ম নেবে।
ReplyDelete